মোঃহাবিবুর রহমান,শ্যামনগর প্রতিনিধি:সাতক্ষীরা শ্যামনগর পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন হইতে কল্যাণপুর অভিমুখী পিচের রাস্তার মধ্যস্থলে রাস্তার উপরে নির্মিত হচ্ছিল এই কালভার্ট টি। গত ১৯ শে মার্চ কাজ শুরু করে ২০ থেকে ২৫ দিন পুর্বে সকল ঢালাইয়েয় কাজ সমাপ্ত হয় বলে স্থানীয়দের থেকে জানা গেছে।স্থানীয় লোকজন বলেন গতকাল ছাত্র-ছাত্রী এবং জনসাধারণের জন্য আংশিকভাবে মাটি ভরাট করে চলাচলের পথ করে দেয়ার পরপরই পূর্ব-দক্ষিণ পাশ্বের হাতলটি মাটির সাথে পানিতে লুটিয়ে পড়ে এবং পশ্চিম দিকের দক্ষিণ ও উত্তর পাশ্বের হাতল দুইটি দারুন ভাবে ফাটল ধরেছে অচিরে এই দুইটা হাতল ভেঙে পড়বে তাতে কোন সন্দেহ নেই। জনমনে প্রশ্ন একটু মাটির দেয়ায় যদি তিনটা অংশ গুড়িয়ে যায় তাহলে ভারী কোন যানবাহন কালভার্ট এর উপরে উঠলে কাল ভার্ট টা ভেঙে গুড়িয়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এখনো পর্যন্ত কালভার্টের মুল ছাদের সেন্টারিং ছাড়ানো হয় নাই। তার আগেই কালভার্টের চারটি হাতল ফেটে গেল।একটি হাতল অলরেডি ভেঙ্গে পড়ে গেছে। কাজের ঠিকাদার কালীগঞ্জ উপজেলার মোঃ হাকিম হোসেন তার কাছে জানার জন্য ফোন দিলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।সহযোগী ঠিকাদার শ্যামনগরের জাহাঙ্গীর হোসেন কাজের ম্যানেজার মোঃমিজানুর রহমান যাহা এলাকা বাসীর কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহকালে জানা গেছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্রোভাইডারদের কাছে ফোন দিলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয় জনগণ তাদের মতামত জানতে চাইলে বলেন যে, এই ব্রিজের কাজটি খুবই নিম্নমানের এবং সরকারি নিয়ম বহির্ভূতভাবে নির্মিত হওয়ায় ঠিকমতো বালু, সিমেন্ট, রড এবং লোনা পানি দিয়ে ঢালাই দেয়ার কারণে কালভার্ট টি ভেঙ্গে পড়ার অন্যতম কারণ । তারা আরো বলেন কর্তৃপক্ষের পয়সা ভাগাভাগির কারণে তারা চুপ রয়েছেন বলে তাদের ভেতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এই ঠিকাদারের সীমাহীন দুর্নীতির অচিরে তদন্ত হওয়া দরকার বলে বিভিন্নজন মতামত ব্যক্ত করেন। ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ জানান যে এই কাজটি যদি সঠিকভাবে সরকারি তদরকি থাকত, জবাবদিহীতা নিশ্চিত করা যেত তাহলে এই ঠিকাদার এত বড় দুর্নীতি করে পার পেতো না।
বি: দ্র: প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ ও লেখা পাঠাতে আমাদের ই-মেইলে যোগাযোগ করুন।