মোমিনুর রহমান;শ্যামনগর প্রতিনিধি:সাতক্ষীরা শ্যামনগর পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যানিকেতন হইতে কল্যাণপুর অভিমুখী মধ্যস্থল রাস্তার উপরে ব্রিজ টা গত মার্চ মাসের ১৯ কাজ শুরু করে। ব্রিজের কাজ শেষ না হতে চলমান অবস্থায় হাত তোল মাটির রক্ষা গাইডল ভেঙে পড়েছে। এখনো পর্যন্ত ব্রিজের মন ছাদের সেন্টারিং ছাড়ানো হয় নাই। তার আগেই ব্রিজের চারটি হাতল ফাটল একটি হাতল অলরেডি ভেঙ্গে পড়ে গেছে। কাজের ঠিকাদার কালীগঞ্জ উপজেলার ঠিকাদার মোঃ হাকিম হোসেন তার কাছে জানার জন্য ফোন দিলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।সাব ঠিকাদার শ্যামনগরের জাহাঙ্গীর ঠিকাদার কাজের ম্যানেজার মিজানুর রহমান তার কাছে ফোন দিলে বলেন ব্রিজটির বয়স ১৫ দিন স্থানে স্কুলে ছাত্রছাত্রী ও মানুষ চলাচলের জন্য ব্রিজের পাশ দিয়ে যে রাস্তাটি করা হয়েছিল সেটি পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার কারণে চলাচলের জন্য দুই পাশে মাটির চাপান দিলে ব্রীজের চারটি হাতল ফাটল ধরে এর মধ্যে দক্ষিণ সাইডে একটি হাতল কাজ চলাকালীন সময়েই পানিতে পড়ে যায়। এবং এটি কোন প্রকার ইউরিন ছাড়াই এই জনগণের জন্য চলাচলের ব্যবস্থা করা কোন যৌক্তিক আছে কিনা তার কাছে জানতে চাইলে সে বলে এটা কিউরিন করা হয় নাই বৃষ্টির কারণে। কতদিন পরে বৃষ্টি ছাড়ার কথা তার আগে কেন ছাড়লেন জানতে চাইলে তিনি কোন কিছু বলতে চাননি শুধু বললেন দুই মাস পরে উন্মুক্ত করা যেতে পারে । ঠিকাদারের প্রতিষ্ঠানের প্রোভাইডারদের কাছে ফোন দিলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ম্যানেজার বলেন নিউটনের সমস্যার কারণে হয়তো বা যোগাযোগ হচ্ছে না বা ফোন বন্ধ বলতেছেন অথচ কয়েকবার ফোন দিলে ফোনটি এই মুহূর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে মোবাইল ফোন থেকে জানানো হয়। স্থানীয় জনগণ তাদের মতামত নিলেন বলতে চাই এই ব্রিজের কাজটি খুবই নিম্নমানের এবং এলাকার মানুষ অসন্তুষ্ট তাদের এই কাজের। ঠিকমতো বালু, সিমেন্ট,বড়, ব্যবহার করলে ব্রিজ এর এই অবস্থা হতো না। ব্রিজের ম্যাকাডম করা হয়েছিল সম্পূর্ণ কাদের উপরে তলায় কোন বালু দেবা হয় নাই এবং সম্পূর্ণ ঢালাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে লবণ পানি মিশ্রিত ঢালায় পরিচালনা করা হয়েছে এর প্রতিবাদে এলাকার লোক কাজকে বাধা দেওয়াই স্থানীয় প্রশাসন সহ সকলকে অবহিত করায় তাদের সঠিক তদরকি না হওয়ায় এই কাজটি তাড়াহুড়ো করে করা হয়েছে করা হয়েছে তাতে এলাকার মানুষ আরো ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ জানান যে এই কাজটি যদি সঠিকভাবে সরকারি তদরকি থাকত জবাব দিতে থাকতো তাহলে সুন্দর হতো।এখন এই ব্রিজের অবস্থা এই করুন এবং এত তাড়াতাড়ি অল্প সময়ের মধ্যে ভেঙে পড়েছে। এরপরে এখান দিয়ে কোন মানুষ চলাচল করতে পারবে না এলাকার মানুষ তাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি এখন বন্ধ হয়ে গেছে মানুষরা এর যথাযোগ্য ব্যবস্থা প্রশাসন যেন দ্রুত গ্রহণ করে এবং ঠিকাদার যে কাজের পুকুর চুরি করেছে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে আইনের আওতায় এনে সাজার ব্যবস্থা দাবি জানান।
বি: দ্র: প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ ও লেখা পাঠাতে আমাদের ই-মেইলে যোগাযোগ করুন।