এম কামরুজ্জামান,স্টাফ রিপোর্টার শ্যামনগরঃপূর্ব শত্রুাতকে কেন্দ্র করে শ্যামনরে সংঘর্ষ আহত-২ থানায় অভিযোগ।অভিযোগ সূত্রে জানাজায়,শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে সাপখালী গ্রামের পিয়ার আলী মোড়লের ছেলে মোঃ রফিকুল মোড়ল বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামি করে শ্যামনগর থায়ায় এজাহার দাখিল করেছে।আসামির হলেন,পশ্চিম কৈখালী গ্রামের এন্তাজ আলীর ছেলে মোঃ সিদ্দিকী সরদার (৪৫) ফজলুল হক খোকনের ছেলে ফরহাদ হোসেন বাবু (৩৫) মোঃ অহিদুজ্জামান (রাজা) মোঃ সিদ্দিকী সরদারের মোঃ আশরাফুল সরদার (২২)সহ অজ্ঞাত ৫/৭ জন।
বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের উল্লেখিত আসামীগন সমাজে গুরুন,লাঠিয়াল,দারুন দুর্দান্ত শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্টকারী, হত্যার প্রচেষ্টাকারী একজোট ভুক্ত লোক। আমি আমার বসত ভিটা বাড়িতে পরিবার পরিজনদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসিতেছি। ১/৪ নং আসামীগন পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশি হওয়ায় পূর্ব শারুতার জের হিসাবে ও প্রতিহিংসার কারনে শিশু বাচ্চাদের কে নিয়ে কেন্দ্র করিয়া আমার ও আমার পরিবারের প্রতি ভীষন শত্রুতা পোষন করিয়া আমাকে সহ আমার পরিবারের সদস্যদের মারপিট ও খুন জখমের লক্ষ্যে সুযোগ করতে থাকে। গত ২৭ আগষ্ট সকলে আসামীগন একজোট হয়ে হাতে ধারালো অস্ত্র পাতি, দা, লোহার রড কোদাল,সাবল সহ লাঠি সোটা নিয়ে আমার বসত বাড়ির ভিতরে মধ্যে অন্যায় ভাবে প্রবেশ করে দরজা ভাংচুর করতঃ ঘর থেকে আমার পুত্রকে টেনে বাহির করিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে উঠানে ফেলিয়া ১ নং আসামীর হুকুমে ২-৪ নং আসামীগন আমাকে পরিবারদের কে উদ্দেশ্যে করিয়া অশ্লীল ভাষার গালিগালাজ করিতে থাকে তাহাতে প্রতিবাদ করায় এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটি হয়। অত্য-পর ১নং আসামীর হুকুমে ও নির্দেশে ২-৪ নং আসামীদের হাতে থাকা লোহার রড ও সাবল, হাতুড়ী দিয়ে আমার ও পুত্রের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করিয়া জখম করে।এক পর্যায়ে আমার স্ত্রী মোছাঃ ছকিনা বিবি বড় পুত্র হাবিবুর রহমান,মোঃ আব্দুল হামিদ সহ পুত্র বধু মোছাঃ আসমা খাতুন দেরকে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করে ভজখম করে। ১নং আসামী আমাকে ও পুত্র আব্দুল হামিদকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথা বাড়ি মারে গেলে আমি প্রান বাঁচানোর তাগিদে কৌশলে মাথা সরাইয়া নিলে উক্ত আঘাত আমার মাথার বাম পার্শ্বে আঘাত করিয়া হাড়কাটা রক্তপাত গুরুতর জখম করে। আসামী আমাকে ও পুত্র কে মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য গলায় দুই হাত দ্বারা কণ্ঠনালী চাপিয়া শ্বাসরোধ পূর্বক হত্যার চেষ্টাকরে। ২নং আসামী আমার বসত ঘরের তালা ভাঙ্গিয়া নগদ ৪০ হাজার টাকা নিয়া নেয়। আমার বোন মোছা: রেহানা পারভীন (৪৫) আমাকে ঠেকাতে গেলে ৩নং আসামী চুলের মুঠি এরিয়া মাটিতে ফেলিয়া টানা হেচড়া করতঃ আমার বোন মাটিতে পড়ে জ্ঞান হারাইয়া ফেলে। ১-৪ নং আসামীদের হাতে থাকা লাঠি ও লোহার রড সাবল দ্বারা আমার বোনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করে জখম করে। ৩ নং আসামী আমার স্ত্রী মোছাঃ ছকিনা বিবির কানের দুল গলা থেকে স্বর্নের চেইন জোর পূর্বপ নিয়ে নেয়। আসামীদের এলোপাতাড়ী মারপিটের এক পর্যায়ে ৪ নং বিবাসী আমার পুত্র বধুর পরিহীত শাড়ী কাপড় টানা হেচড়া করিয়া বে-সামাল করত: শীলতাহানী ঘটায়। এক পর্যায়ে আমার ব্যবহৃত টার্চ ফোন ১ নং আসামী জামার পকেট থেকে উঠাইয়া নেয়।আসামীগন ঘটনাস্থল থেকে চলিয়া যাওয়ার সময়ে আমাকে সহ আমার পরিবারদের কে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ অনকে ভয়-ভীতি হুমকি ধামকি দিয়ে বলে যে, এবিষয়ে কোন মামলা মোকদ্দমা দায়ের করিলে দুনিয়া থেকে সরাইয়া দিবে, বলত বাড়ী ঘর ও এলাকা থেকে বিতাড়িত ও উচ্ছেদ করিবে, বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা সাজানো মুলক মামলায় জড়িত করিবে মর্মে আসামীরা আস্ফালন -করে।আমার পুত্রের শারীরিক অবস্থার খারাপ হইলে জরুরী ভাবে শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করে বর্তমানে স্ত্রী পুত্র ও পুত্র বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে।
এবিয়ে শ্যাননগর থানার অফিসার ইনচার্জ শাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি বিষয়টা শুনেছি এবং অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
বি: দ্র: প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ ও লেখা পাঠাতে আমাদের ই-মেইলে যোগাযোগ করুন।