শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা কৈখালী ইউনিয়নের কাঠামারি গ্রামে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মোঃ নুর ইসলাম গাজী, পরানপুর গ্রামের মোজাফফর গাজী, মোঃ শাহজালাল গাজী ও কাঁঠামারী গ্রামের আব্দুল মমিন গাজী কাঠামারী গ্রামে দীর্ঘদিন যাবত মৎস্য ঘের পরিচালনা করে আসিতেছে। তারা সকলেই গত বছরের কিছু মাছ ঘেরে এক পাশ্ব ছোট পুকুরে রেখে ২০২৬ সালে নতুন করে মৎস ঘের প্রসেসিং শুরু করেছেন এমত অবস্থায় রাত্রের আধারে তাদের মৎস্য ঘেরে কিছু অসাধু ও দুষ্কৃতিকারী ব্যক্তি ঘেরে দানাদার জাতীয় বিষ (এম, এস জিনন) প্রয়োগ করে পঞ্চাশ সহস্রাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।
সাবেক মেম্বার নুর ইসলাম গাজী বলেন, আমি এই কাঁঠামারী গ্রামের 40 বছর ধরে গের করে আসিতেছি। বর্তমান আমার পনেরো বিঘার একটি ঘের আছে, আমার ঘেরের এক পাশে গত বছরের কিছু পুরাতন মাছ রক্ষিত রেখে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও আমি নতুন করে ঘের প্রস্তুত কালে রাতের আঁধারে কে বা কারা ঘেরে দানাদার জাতীয় বিষ প্রয়োগ করে ক্ষতি সাধন করেছে।
এদিকে পরানপুর গ্রামের মোজাফফর গাজী, মোঃ শাহজালাল গাজী ও কাঁঠামারী গ্রামের আব্দুল মমিন গাজীও অভিযোগ করে বলেন, দুষ্কৃতিকারীরা আমাদের মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগের কারণে আমরা খুব ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছি। আর্থিক ক্ষতিগ্রস্তর পাশাপাশি নতুন বছরের ঘের প্রসেসিং এর বিঘ্ন ঘটেছে। আমরা স্বাবলম্বী হওয়ার আসায় রিন নিয়ে ৫/৭ বিঘা জমি লিজ নিয়ে ঘের পরিচালনা করে আসিতেছি। এ বছর আমাদের মৎস্য ঘেরে বাধা গ্রস্থ করার লক্ষ্যে বিষ প্রয়োগ করেছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি গ্রহণ করতেছি। পাশাপাশি আমরা গ্রামের সাধারণ মানুষ আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যাতে তদন্তের মাধ্যমে এই দুষ্কৃতিকারীদের শাস্তি নিশ্চিত হয়।
এবিষয়ে কাঠামারী গ্রাম তথা ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ আইয়ুব আলী বলেন, বিষ প্রয়োগের পর আমি ওই ঘের পরিদর্শন করেছি, ঘটনা সত্য তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কে বা কারা বিষ প্রয়োগ করেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বি: দ্র: প্রকাশিত সংবাদে কোন অভিযোগ ও লেখা পাঠাতে আমাদের ই-মেইলে যোগাযোগ করুন।