ডেস্ক রিপোর্ট:জাপান সরকারের অর্থায়নে এবং বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর সার্বিক সহযোগিতায় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসছে। ডব্লিউএফপি’র কারিগরি সহায়তায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সুশীলনের বাস্তবায়নে উপজেলার দুর্যোগপ্রবণ প্রতাপনগর ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় এপিএস কলেজ থেকে কল্যাণপুর খেয়াঘাট পর্যন্ত ২ হাজার ২২ মিটার দৈর্ঘ্যের ওয়াবদা সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। এ সড়ক উন্নয়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৯ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫ শত ৮৮ টাকা। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৯৫ শতাংশ উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) বেলা ১১টায় এপিএস কলেজ থেকে কল্যাণপুর খেয়াঘাট পর্যন্ত সড়কটির উন্নয়ন কাজের শেষ পর্যায়ের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার ও আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইদুজ্জামান হিমু। এ সময় তারা প্রকল্পের গুণগত মান ও অগ্রগতি সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে উপজেলা ও জেলার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী উপজেলার হাটবাজার, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দিরে যাতায়াত সহজ হবে। একই সঙ্গে নদী পারাপার সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে এবং স্থানীয় মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, প্রতাপনগর ইউনিয়নের এক পাশে খোলপেটুয়া নদী এবং অন্য পাশে কপোতাক্ষ নদী প্রবাহিত হওয়ায় ইউনিয়নটি প্রতিবছর বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নাজুক যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এখানকার মানুষের দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। জেলার দুর্যোগঝুঁকিপূর্ণ ইউনিয়নগুলোর মধ্যে প্রতাপনগর অন্যতম।
জাপান সরকারের অর্থায়নে, বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর কারিগরি ও সার্বিক সহযোগিতায় এবং সুশীলনের বাস্তবায়নে পরিচালিত “দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (ডিআরআর) প্রকল্প”-এর আওতায় ইউনিয়নের এসব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন সুশীলনের উপ-পরিচালক জি. এম. মনিরুজ্জামান, প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. ইমরান হোসেন, মিল কো-অর্ডিনেটর খালিদ মাহমুদ, উপজেলা কো-অর্ডিনেটর নিখিল রঞ্জনসহ স্থানীয় উপকারভোগী ও পিইসি কমিটির সদস্যরা।
Design & Developed BY- zahidit.com
Leave a Reply