,

মুন্সীগঞ্জে জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত

শাহনাজ বেগমঃ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা হয়।

জেলা প্রশাসক মোঃ আবুজাফর রিপন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মুন্সীগঞ্জ -৩ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসার দীপক চন্দ্র দাস।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান,  সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনিছ উজ্জামান আনিছ, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুভাষ চন্দ্র হীরা, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিফা খান,
মিরকাদিম পৌরসভার মেয়র হাজী আব্দুস সালাম,
ইদ্রাকপুর ১নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাহিদা সুলতানা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নয়াগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহারা বেগম ও নৈপুকুরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমা চৌধুরী।

অন্যান্যদের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলেয়া ফেরদৌসী, পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, বজ্রযোগনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মহাকালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম ঢালী, শিলই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পারভেজ মৃধাসহ আরো অনেকে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি। তাঁর ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আমরা তাঁকে গভীরভাবে স্মরণ করছি, শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।’

বক্তারা বলেন, ‘বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন হলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা। আর এ গৌরব অর্জনের মহানায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং এদেশের মানুষের মুক্তিই তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নেই তিনি আজীবন আন্দোলন-সংগ্রাম করে গেছেন, জীবনের একটা বড় সময় জেলে কাটিয়েছেন। কিন্তু তিনি অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করেননি।’

পঁচাত্তরের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। খুনিরা ভেবেছিল, এর মাধ্যমে ইতিহাস থেকে তাঁর নাম মুছে যাবে। কিন্তু ইতিহাস চলে তার নিজস্ব পথে। নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি আজও মহানায়ক, তিনি বাঙালি জাতির স্বপ্নের দিশারী।

এতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি , শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *