,

শ্যামনগর উপজেলায় পৃথক দুই শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ডেস্ক রিপোর্টঃ
দুই জনের মধ্যে একজন একাদশ শ্রেণির ছাত্র । অন্যজন অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। দুই দিনের ব্যবধানে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) খালেদুর রহমান জানান, উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বংশীপুর গ্রাম থেকে সৈকত মুখার্জি (১৮) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সে স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। নিহতের পিতা আদিত্য মুখার্জি স্থানীয় একটি ফুয়েল স্টেশনে তেল সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করেন।

পিতার বরাতে ওসি জানান, বেলা গড়িয়ে গেলেও ঘরের দরজা না খোলায় সন্দেহ হলে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সৈকতের মরদেহ দেখতে পান তারা।

শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাকির হোসেন জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। গলায় ফাঁসের আলামত পাওয়া গেছে। ওসি খালেদুর রহমান আরও বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এর আগে, শুক্রবার সকালে উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালি গ্রাম থেকে আয়সা মনি (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে ওই গ্রামের বেলাল হোসেনের মেয়ে। পুলিশ জানায়, আয়সা মনি তার মায়ের সঙ্গে বসবাস করত। তার পিতা দ্বিতীয় বিয়ে করে ঢাকায় অবস্থান করছেন। শুক্রবার সকালে তাকেও ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। একই দিন তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

দুই শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *