,

সংসদের প্রথম অধিবেশনে হাসিনার গণহত্যার বর্ণনা তুলে ধরবেন রাষ্ট্রপতি

ফাইল ফটো

অনলাইন ডেস্কঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ১২ মার্চ শুরু হচ্ছে। অধিবেশনের প্রথম দিন সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক আন্দোলনসহ গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয় রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে তুলে ধরা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন এবং প্রতি বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে এই ভাষণের খসড়া প্রস্তুত করা হয় এবং পরে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মাধ্যমে তা চূড়ান্ত করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এবারের ভাষণের খসড়া প্রস্তুতের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং তা যাচাই-বাছাই চলছে। অনুমোদনের জন্য শিগগিরই মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। ভাষণটি আকারে বড় হলেও রাষ্ট্রপতি সাধারণত এর সংক্ষিপ্ত অংশ সংসদে উপস্থাপন করেন, বাকি অংশ স্পিকারের অনুমতি সাপেক্ষে পঠিত হিসেবে গণ্য হয়।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির ভাষণে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ, আন্দোলন-সংক্রান্ত বিষয় এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা স্থান পেতে পারে। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর নির্বাচনী অঙ্গীকার ও নীতিগত দিকনির্দেশনার বিষয়ও গুরুত্ব পেতে পারে বলে জানা গেছে।

নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রেক্ষাপট এবং সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনের বিষয়গুলোও বক্তব্যে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

জানা গেছে, নতুন সংসদের জন্য রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রস্তুত একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। প্রায় তিন মাস আগে থেকেই এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, এবারের ভাষণের আকার দেড়শ পৃষ্ঠার কাছাকাছি হতে পারে।

সংসদের অধিবেশন ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নির্ধারিত সময়ে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে—এটুকুই তিনি জানেন; এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি। একইভাবে আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রীও বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি।

রাষ্ট্রপতির সংসদীয় ভাষণ সরকারের নীতি ও কর্মপরিকল্পনার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে। এ ভাষণের ওপর সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় এবং সংসদ সদস্যরা তা নিয়ে আলোচনা করেন। অধিবেশনের শেষ দিনে ওই প্রস্তাব গৃহীত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *