শ্যামনগর প্রতিনিধি: পরিবেশ দূষণ রোধ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধের তীব্র দাবি জানিয়েছে সামাজিক সংগঠন ‘হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি’। সংগঠনটি নতুন প্রজন্মের বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে প্লাস্টিক পরিহারের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে।
হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সুমাইয়া কামাল এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “প্লাস্টিক দূষণ আজ এমন এক ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আমাদের নিত্যদিনের খাদ্যাভ্যাসও এখন চরম ঝুঁকিতে। সাম্প্রতিক নানা গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, সাগরের মাছ থেকে শুরু করে আমাদের খাবারের পাত্রে থাকা খাদ্যবস্তুর ভেতরেও ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক বা সূক্ষ্ম প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি মিলছে। নীরব ঘাতক এই মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহে প্রবেশ করে ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।”
তিনি আরও বলেন, “মাছের পেটে কিংবা দৈনন্দিন খাবারে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক মারাত্মক সতর্কবার্তা। আমরা যদি এখনই প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ না করি, তবে আগামী দিনের শিশুদের জন্য একটি বিষাক্ত পৃথিবী রেখে যাব।”
ছবি ও প্রচার সামগ্রীতে ব্যবহারের উপযোগী একটি মূল স্লোগান সামনে রেখে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানায় সংগঠনটি:
“আমি, আমরা সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য প্লাস্টিক পরিহার করি নতুন প্রজন্মের জন্য।”
পরিবেশ সামলাতে পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জন করে পাট, কাপড় ও পচনশীল পরিবেশবান্ধব বিকল্প পণ্য ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য দেশের সচেতন নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।
প্লাস্টিককে ‘না’ বলি, সুস্থ সুন্দর দেশ গড়ি!
খাবারের সাথে শরীরে ঢুকছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক। মাছের পেটেও মিলছে ক্ষতিকর প্লাস্টিক কণা! আমাদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বাঁচাতে এখনই প্লাস্টিক বর্জন করা জরুরি।
“আমি, আমরা সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য প্লাস্টিক পরিহার করি নতুন প্রজন্মের জন্য।” — সুমাইয়া কামাল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, হিলফুল ফুযুল ইয়ুথ সোসাইটি।
Design & Developed BY- zahidit.com
Leave a Reply